কোটা রাশেদ: ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ বনে যাওয়া ভণ্ড নেতার কাহিনী


  প্রকাশিত হয়েছেঃ   17 November 2020

নিউজ ডেস্ক: অশান্তিতে আছেন কোটা আন্দোলন নেতা সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের অন্যতম সহযোগী ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। শনিবার (১৪ নভেম্বর) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। তার এ স্ট্যাটাসের সূত্র ধরে অনুসন্ধানে ‘কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে এলো সাপ’। বেরিয়ে এলো ছাত্রাবস্থায় তার ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ হওয়ার নেপথ্য কাহিনী।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে শুরু থেকেই কাজ করছে সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর ও তার অনুসারীরা। তারা লন্ডনে পলাতক ফেরারি আসামি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেপথ্য নির্দেশনায় ‘পেইড এজেন্ট’ হয়ে কাজ করছেন। বিভিন্ন সময় হাতেনাতে তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মোটা অংকের মাসোয়ারা পান বলে নুর ও তার সহযোগী রাশেদরা ‘রাজার হালে’ জীবনযাপন করেন। অথচ তাদের কোন উপার্জন উৎস নেই। এমনকি কেউ নির্দিষ্ট করে বলতেও পারেননি, তারা কী করেন।

শনিবার (১৪ নভেম্বর) দেয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন আক্ষেপ করে লিখেছেন, একটা সময় শান্তি ছিলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকাকালীন সময়ে টিউশনির সেলারি পাওয়ার সাথে সাথে তিনি নীলক্ষেতের রয়েল তেহারির দোকানে চলে যেতেন। সেখানে ৭০ টাকায় হাফ প্লেট তেহারি খেতেন। কিন্তু এখন পাঁচ তারকা হোটেলের শত শত আইটেমের খাবারেও তার তৃপ্তি মেলেনা। তার ভাষ্যমতে, তখন মুখে একটা স্বাদ ছিলো, যেটা এখন নাই।

এখন প্রশ্ন হলো, ক’দিন আগেও যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের ক্যান্টিনের খাবার আর নীলক্ষেতের তেহারিতে নিজের উদরপূর্তি করতেন, হঠাৎ তিনি এমন কি ‘আলাদীনের চেরাগ’ পেলেন যে পাঁচ তারকা হোটেলে নিত্য যাওয়া-আসা করছেন। উত্তরটা খুবই সিম্পল। দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার কারণে মোটা অংকের টাকা মাসোয়ারা পান নুর ও তার গং। এ কারণে সেই টাকা আনতে এবং গোপন মিটিং করতে প্রায়শই তারা পাঁচ তারকা হোটেলে যাওয়া-আসা করেন। কিন্তু ‘সবার পেটে সব সয় না’ বলেই মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন এখন ফেসবুকে এমন স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের পুরনো অতীতকে স্মরণ করছেন। হা-হুতাশ করছেন।

রাজনৈতিক বিশিষ্টজনরা বলছেন, নুর-রাশেদদের হঠাৎ এই পরিবর্তনের গল্প দেশবাসী কম-বেশি সবাই অবহিত। তারা যাতে আরও বেপরোয়া হয়ে দেশের ক্ষতি করতে না পারে, লাল-সবুজের পতাকা, গণতন্ত্র ও সফল সরকারব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। রুখে দিতে হবে তাদের সব ষড়যন্ত্রকে।

দেশের খবর

আপনার মতামত লিখুন :