প্রকৃত প্রশিক্ষণ ছাড়া শিক্ষাদান কতটা ফলপ্রসূ?


  প্রকাশিত হয়েছেঃ   29 January 2019

সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় চাকরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে ব্যাচেলর অব এডুকেশন (বিএড) প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক নয়। তবে সরকারি শিক্ষকদের বেলায় চাকরিতে যোগদানের পাঁচ বছরের মধ্যে বিএড প্রশিক্ষণ নেয়া বাধ্যতামূলক। বিএড প্রশিক্ষণ থাকলে সরকারি শিক্ষকরা দশম গ্রেডে যোগ দিয়ে অতিরিক্ত ইনক্রিমেন্ট পান।

আর বেসরকারি শিক্ষকদের বিএড প্রশিক্ষণ থাকলে ১১তম গ্রেড থেকে দশম গ্রেডে উন্নীত করার বিধান রয়েছে। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-৪) বাস্তবায়নে দেশে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের কথা বললেও শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষক নেই।

বিএড এবং মাদ্রাসার ক্ষেত্রে বিএমএড ও সমমানের প্রশিক্ষণ ছাড়াই বর্তমানে দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন এক লাখ ৫৮ হাজার ৭২২ জন শিক্ষক অর্থাৎ সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি শিক্ষকের প্রশিক্ষণ নেই। এর মধ্যে ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের হার সবচেয়ে কম।

ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণের বাইরে থাকা এসব শিক্ষক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা হিসেবে বিএড প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার চিন্তাভাবনা করছে কর্তৃপক্ষ। ২০৩০ সালের মধ্যে সব শিক্ষকের এক বছর মেয়াদি প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার কথা বলছে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে যাদের প্রশিক্ষণ নেই, জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোয় শিক্ষকরা যাতে প্রশিক্ষণে অগ্রাধিকার পান, সে বিষয়েও আলোচনা চলছে। তবে এখানে কয়েকটি বিষয় লক্ষণীয়। এক বছর মেয়াদি প্রশিক্ষণে শিক্ষকদের পাঠালে ওই শিক্ষকদের অনুপস্থিতিতে কারা ক্লাস করবেন বা নাকি ক্লাস বাদ যাবে, সে বিষয়ে মাউশি ও মন্ত্রণালয়কে বাস্তবধর্মী চিন্তা করতে হবে। এমনিতেই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষকের অভাবে জোড়াতালি দিয়ে চলছে। আবার বিপুলসংখ্যক শিক্ষক যদি এক বছরের জন্য প্রশিক্ষণে চলে যান, তাহলে ক্লাসের কী হবে?

এক সময় ‘প্রমোট’ নামের একটি প্রজেক্ট ছিল মাধ্যমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য। ওই প্রজেক্ট একটি চমৎকার কাজ করেছিল। যেসব শিক্ষক প্রশিক্ষণে আসবেন, তাদের বিপরীতে একজন করে খণ্ডকালীন/বদলি শিক্ষক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেয়া হতো এবং তাদের বেতনও ওই প্রজেক্ট থেকেই বহন করা হতো। আর একটি বিষয়, টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোয় শিক্ষকরা প্রশিক্ষণে আসতে চান না; যদিও প্রশিক্ষণের পরে শিক্ষকদের বেতন স্কেল পরিবর্তন হয়।

এর দ্বারা বোঝায়, শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে আগ্রহী নন। প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে শিক্ষকরা অনাগ্রহী- এটি যেমন সত্য, তেমন টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোয় যা শেখানো হয়; তা কতটা বাস্তবমুখী, আধুনিক ও আনন্দদায়ক, সেগুলোও ভাবতে হবে। টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোয় দেখলাম, শিক্ষকদের হাতে হাতে গাইডবই। কোথায় শিক্ষা? কোথায় পড়াশোনা? সেখানেও শুধু প্রশিক্ষণের সিঁড়ি পার হওয়া আর সময় কাটানো। মূল বা মূল জ্ঞানার্জনের সঙ্গে তফাৎ অনেক। প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ক্লাসে কী পড়াচ্ছেন, কীভাবে পড়াচ্ছেন, প্রশিক্ষণের পর কোনো বাহিনীর মতো শিক্ষকদের পড়ানোর ধরনে, আচার-আচরণে পরিবর্তন এসেছে কিনা; তা দেখার কোনো ব্যবস্থা নেই। এসব কারণে শিক্ষক প্রশিক্ষণ গ্রহণে খুব একটা আগ্রহ দেখান না।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-৪) বাস্তবায়নে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের শুরুতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকের সংখ্যা বাড়াতে বিএড প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যানুযায়ী, দেশের সরকারি এবং এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষক সংখ্যা চার লাখ ৩১ হাজার ৮২২ জন। এর মধ্যে বিএড প্রশিক্ষণ নেই এক লাখ ৫৮ হাজার ৭২২ জন। এদের মধ্যে এক লাখ ২৮ হাজার ৪৭৩ জন পুরুষ ও ৩০ হাজার ২৪৯ জন নারী শিক্ষক।

পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, ৩০ বছর বয়সী প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকের সংখ্যা চার হাজার ৯৮ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী শিক্ষক ৬০ হাজার ২৮১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী শিক্ষক ৬১ হাজার ৮৭ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী শিক্ষক ৩০ হাজার ২৫৬ জন। প্রশিক্ষণবিহীন এসব শিক্ষকের মধ্যে বেশিরভাগই মাদ্রাসা শিক্ষক।

দাখিল ও আলিম মিলিয়ে এক লাখের বেশি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক রয়েছেন; যাদের বেশিরভাগের বিএড বা সমমানের ডিগ্রি নেই। সর্বোচ্চ দশ হাজার শিক্ষকের বিএড পর্যায়ের ডিগ্রি রয়েছে। কয়েক বছর আগে মাদ্রাসার শিক্ষা অধিদফতর গঠিত হলেও শিক্ষকদের মানোন্নয়নের তারা এখনও কাজ শুরু করতে পারেনি। মন্ত্রণালয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এক লাখ ৫৮ হাজার ৭২২ জন শিক্ষককে বিএড প্রশিক্ষণ দিতে ব্যয় কত হবে, সময় কত লাগবে, প্রতি ব্যাচে কতজন শিক্ষক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন, সময়ের দিক থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পদ্ধতি কেমন হবে- এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে সম্প্রতি ব্যানবেইসকে দায়িত্ব দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আরও কিছু সিদ্ধান্তের কথা শোনা যাচ্ছে। যেমন প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকদের কমপক্ষে এক বছর মেয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হবে। তবে ৫২ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষকদের জন্য সংক্ষিপ্ত কোর্সের আয়োজন করার কথা বলা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিএড বা ন্যূনতম এক বছর মেয়াদি প্রশিক্ষণ এবং ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দেয়ার ব্যাপারে প্রস্তাব করা হবে। চিন্তাভাবনাগুলো ভালো, তবে বাস্তবমুখী হতে হবে।

শিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ না থাকায় যেসব ছোটখাটো প্রশিক্ষণ তারা পান, তাতে বিষয় ও কৌশল ঠিকমতো অত্মস্থ করতে পারেন না। ফলে শিক্ষার্থীরাও সৃজনশীলে দক্ষ হতে পারছে না।

২০১৮ সালের মে মাসে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের করা একাডেমিক সুপারভিশনে দেখা যায়, ৫৭.২৮ শতাংশ শিক্ষক নিজেরা সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশ্ন প্রণয়ন করতে পারেন না। আংশিক প্রশ্ন প্রণয়ন করতে পারেন ২৬.২৭ শতাংশ শিক্ষক আর বাইরে থেকে প্রশ্ন সংগ্রহ করেন ১৬.৪৫ শতাংশ শিক্ষক। অর্থাৎ ৪২ শতাংশ শিক্ষক নিজেরা সৃজনশীল প্রশ্ন একেবারেই প্রণয়ন করতে পারেন না। বিভিন্ন প্রকল্প ও মাউশি অধিদফতরের প্রশিক্ষণ শাখার আওতায় সৃজনশীল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এ পর্যন্ত কতজন শিক্ষক সৃজনশীল বিষয়ে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, তার হিসাব নাকি তাদের কাছে নেই।

এটি নিঃসন্দেহে আশ্চর্যজনক! তবে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে স্থানীয় প্রশিক্ষণ খাতে পরীক্ষা পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়ে দুই লাখ ২৪ হাজার শিক্ষকের প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৬০ হাজার ৭৭০ জন শিক্ষককে সৃজনশীল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। প্রথম দিকে শিক্ষকদের তিনদিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো; বর্তমানে তা ছয় দিন করা হয়েছে। ছোটখাটো প্রশিক্ষণ কিংবা কোনো প্রজেক্টের অধীনে প্রশিক্ষণ মানে টাকার খেলা। আমি লক্ষ করেছি, এসব প্রশিক্ষণে শিক্ষক আসেন আর্থিক কিছু সুবিধাপ্রাপ্তির জন্য (তবে সবাই নন)। প্রজেক্টের টার্গেটও থাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ খরচ করে ফেলতে হবে এবং কতজন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন, সেই সংখ্যাটি দেখালেই যেন কাজ শেষ। শিক্ষকরা কী শিখলেন বা শিখলেন না, প্রশিক্ষণ বাস্তবে কতটা কাজে লাগল বা লাগল না; এ নিয়ে কারও কোনো চিন্তা নেই।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো বিভিন্ন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রতি বছর গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং (জিইএম) প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাদের সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় প্রশিক্ষিত শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ৫০ শতাংশ। অথচ প্রতিবেশী দেশ নেপাল, মালদ্বীপ, মিয়ানমার ও সিঙ্গাপুরে এ হার ৯০ শতাংশেরও বেশি।

এছাড়া শ্রীলংকায় প্রাথমিক শিক্ষায় পাঠদানরত শিক্ষকদের ৮৫ শতাংশ, পাকিস্তানের ৮২ ও ভারতের ৭০ শতাংশেরই প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ রয়েছে। এর বাইরে ভুটান, জর্ডান, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডে প্রাথমিক শিক্ষকদের শতভাগই প্রশিক্ষিত। আমরা আসলে কী নিয়ে বড় বড় কথা বলছি? বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষকতা পেশায় যোগদানের আগে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের সনদ নিতে হয়। শুধু প্রাথমিক নয়, শিক্ষার প্রতিটি ধাপেই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ গ্রহণ অত্যাবশ্যক।

নিয়োগের শর্ত হিসেবে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। কেননা আমাদের দেশে, বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষায় বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয় না। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়েছেন। শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের জন্য এসব শিক্ষককে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা জরুরি। এছাড়া প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের জন্য ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।’

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তথ্যমতে, সরকারি-বেসরকারি মিলে সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯০১টি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে ১ কোটি ৭২ লাখ ৫১ হাজার ৩৫০ জন। গড়ে একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১২৯ জন। প্রতি ১১৯৫ জন লোকের জন্য একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৮৫ লাখ ৮ হাজার ৩৮ ও ছাত্রী সংখ্যা ৮৭ লাখ ৪৩ হাজার ৩১২। এ শিক্ষার্থীদের পাঠদানে নিয়োজিত ৬ লাখ ২৩ হাজার ৯৬৪ জন শিক্ষক। মোট শিক্ষকের ৬২ শতাংশই নারী। অর্থাৎ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:২৮। এ সংখ্যা এবং অনুপাত পজিটিভই দেখাচ্ছে; কিন্তু শিক্ষকদের মানোন্নয়নের চিত্র পুরো আলাদা। প্রাথমিকের মতো মাধ্যমিকের প্রশিক্ষিত শিক্ষকের ক্ষেত্রেও পেছনের সারিতে বাংলাদেশ। দেশের মাধ্যমিক শিক্ষকদের ৬৬ শতাংশই প্রশিক্ষণবিহীন। অর্থাৎ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষক প্রশিক্ষণ ছাড়াই বিদ্যালয়ে পাঠদান করছেন; যদিও পার্শ^বর্তী দেশ মিয়ানমারে এ হার ৯৩ শতাংশ, ব্রুনাইয়ে ৯০ ও নেপালে ৮৯ শতাংশ। আর ভুটান, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড ও জর্ডানে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয় পাঠদানরত শতভাগ শিক্ষকই প্রশিক্ষিত। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হলে শিক্ষক প্রশিক্ষণের এ চিত্র অবশ্যই পাল্টাতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে শুধু সরকার নয়, শিক্ষকদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

মাছুম বিল্লাহ : ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত; সাবেক ক্যাডেট কলেজ শিক্ষক

masumbillah65@gmail.com

সম্পাদকীয়

আপনার মতামত লিখুন :