logo
শনিবার , ১৭ ডিসেম্বর ২০২২ | ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার ভাবনা
  5. খেলা
  6. জাতীয়
  7. টেক নিউজ
  8. দেশের খবর
  9. প্রবাস
  10. ফিচার
  11. বিনোদন
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. সম্পাদকীয়
  15. সাফল্য

পর্যটন শিল্পে উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিবেদক
admin
ডিসেম্বর ১৭, ২০২২ ১২:১৩ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নসহ দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য পর্যটনের গুরুত্ব অপরিসীম। এ ব্যাপারে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি আমি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

তিনি বলেন, আবহমান গ্রাম-বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রেখে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দায়িত্বশীল পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনা করতে এবং এর সুফল যাতে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ভোগ করতে পারে, সেই লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পর্যটনশিল্প বর্তমান বিশ্বে শ্রমঘন এবং সর্ববৃহৎ শিল্প হিসেবে স্বীকৃত।

শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) ‘আন্তর্জাতিক ইলিশ, পর্যটন ও উন্নয়ন উৎসব-২০২২’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ‘দ্য স্টেট ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার ২০২০’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী মিঠাপানির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়, অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বিশ্বে ৩য় এবং বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে ৫ম। ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ১ম ও তেলাপিয়া উৎপাদনে ৪র্থ। দেশ এখন মাছে শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণই না, উদ্বৃত্তও বটে। এ অর্জন জাতির জন্য গৌরবের।

সরকারপ্রধান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার শুরু থেকেই কৃষি খাতকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে। আমরা কৃষি খাতে ভর্তুকি এবং কৃষি ঋণের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ানোর ফলে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে তৃতীয় ধান উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। কেবল ধান নয়, দেশের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন ও রপ্তানি আয়ে মৎস্য খাতের অবদান আজ সর্বজনস্বীকৃত।

তিনি আরও বলেন, অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বে ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃত। এমডিজির লক্ষ্যগুলো সফল বাস্তবায়নের পর এসডিজির লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের পথেও বাংলাদেশ দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে চলেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ইতোমধ্যে রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়িত হয়েছে। আমরা এখন রূপকল্প-২০৪১ এবং ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ নিয়ে কাজ করছি। এগুলোর সফল বাস্তবায়ন দেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে আমরা সক্ষম হব।

সর্বশেষ - রাজনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত

‘প্রধানমন্ত্রীর ভারসাম্যের কূটনীতির কারণে অনেকে আমাদের দিকে নজর দিচ্ছেন’ 

সারা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির জাগরণ তৈরি হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস আজ তিন ডিজিটাল প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র বানাতে প্রযুক্তির এই যত অপব্যবহার!

প্রথম দিনেই টিকিট কেটে মেট্রোতে চড়বেন প্রধানমন্ত্রী, যাবেন অফিসে

‘পদ্মা সেতু’ নাম চূড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি

বরখাস্ত কর্নেল শহীদ, বহুমূখী অপরাধীর এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ। পর্ব – ২

আওয়ামী লীগ কখনো দেশ ছেড়ে পালায় না: শেখ হাসিনা

‘রুশ নাগরিকদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন পুতিন’

বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে আপনাদের এত মাথাব্যথা কেন : বিদেশি কূটনীতিকদের ওবায়দুল কাদের