চাকরীচ্যুত সেনা কর্মকর্তা লেঃ কর্নেল শহীদ উদ্দিন একটি দ্বিমুখী সাপ

adminadmin
  প্রকাশিত হয়েছেঃ   14 May 2022

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি চাকরীচ্যুত সেনা কর্মকর্তা লেঃ কর্ণেল (অবাঞ্ছিত) মোঃ শহীদ উদ্দিন খান। চাকরিরত অবস্থায় নিজের স্বার্থ ছাড়া দেশের জন্য ভালো কোনো কাজ করেনি। এখনো সে দেশের বাহিরে থেকে বিভিন্ন অপকর্মে মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে সমালোচিত বিষয় উপস্থাপন করছেন।দেখতে দেখতে স্বাধীনতার ৪৯ টি বছর পেরিয়ে গেল। এই স্বাধীন বাংলায় এখনো কিছু কাপুরুষ টাইপের লোক থেকে গেছে। যাদের কর্মকাণ্ড এখনো বহির্বিশ্বের কাছে আমাদের দেশকে করে প্রশ্নবিদ্ধ।
তার বিরুদ্ধে নানা গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে । মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধানে জানা যায় ( 2004 – 2005) সাল পর্যন্ত তৎকালীন বি ডি আর সদরদপ্তর পিলখানা ঢাকায় তার বিরুদ্ধে একটি কোর্টমার্শাল অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত কোর্টমার্শালের তার বিরুদ্ধে সর্ব মোট 28 টি অভিযোগ গঠন করা হয়।
তার বিরুদ্ধে সরোজমিন অনুসন্ধানে প্রাপ্ত কিছু তথ্য মধ্যে অন্যতম ২০০১ সালের নির্বাচনকালীন সময়ে বিএনপি দলীয় নেতা কর্নেল অলি আহমেদের নির্দেশ ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সালাউদ্দিন আহমেদের যোগসাজশে আওয়ামী লীগের ঘায়েল করে যেকোন মূল্যে বিজয়ী করার নীলনকশা প্রণয়ন করা । এ প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ব্রিগেড কমান্ডারের পূর্ব অনুমতি ব্যতিরেকে উক্ত নির্বাচনী এলাকা হতে তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পরিচালনা করেন এবং বিভিন্ন অস্ত্র মামলায় এরেস্ট দেখিয়ে হেনস্থা করেন। উক্ত সেনা কর্মকর্তা নিয়ম ভঙ্গ করে নির্বাচনের দিন বিভিন্ন মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার প্রদান করেন। পরবর্তীতে 200২ তারিখে জাতিসংঘ মিশনে মনস্কো কঙ্গোতে গমন করেন। মাত্র দুই মাস পর দেশের ছুটিতে আসেন এবং মিথ্যা শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মিশন হতে নাম প্রত্যাহার করান।
এছাড়া শহিদ ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী পরেশ বড়ুয়ার সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের পেছনে অর্থলগ্নি করার মতো অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক অস্ত্র পাচারকারী সংগঠনের মূল হোতা দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে অস্ত্র ব্যবসায় প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছেন শহিদ উদ্দিন খান। শহিদ পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর সঙ্গে আঁতাত করে ভারতে জাল টাকার বাণিজ্যের সঙ্গেও জড়িত। আজ থেকে ১৫ বছর পূর্বে মাদক চোরাচালানসহ একাধিক নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগের কারণে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলসে (বর্তমানে বিজিবি) প্রেষণে দায়িত্ব পালনকারী লেঃ (অবাঞ্ছিত) মোঃ শহীদ উদ্দিন খানকে বরখাস্ত করা হয়।
তাছাড়া তিনি অনেক নারী কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত ছিলেন, তাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মেয়ের সাথে দেখা যেত, সে রাষ্ট্রের শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পালিয়ে স্ত্রী-কন্যা নিয়ে বিলাসী জীবন যাপন করছে। অনলাইনে দেশের সেনাবাহিনী ও বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে লাগামহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার পুরো পরিবারটিই একটি জালিয়াত চক্র। তার স্ত্রী-কন্যারা চেক জালিয়াতির মামলায় আদালত কর্তৃক দন্ডপ্রাপ্ত।
দেশে থাকাকালীন সময়ে কর্নেল শহীদ দেশবিরোধী অনেক অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন, যার ফলশ্রুতিতে তিনি অনেক অবৈধ সম্পত্তির মালিক হয়েছে। এখন সে রাজনৈতিক আলোচনার নামে বিদেশে বসে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী গুজব ছড়িয়ে উস্কানি দিচ্ছে। শত শত কোটি টাকার দূর্নীতি ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতার খলনায়ক সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল অব-মোঃ শহীদ উদ্দিন খানকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের ব্যবস্থা করা হোক ।
এদেশের মানুষ এইসব বেইমান ও রাষ্ট্রদ্রোহী ব্যক্তিকে কখনোই ক্ষমা করবে না ।বিদেশ থেকে এইসব ঘৃণিত ব্যক্তি দের ধরে এনে দেশের মাটিতে বিচারের ব্যবস্থা করা হোক ,এদের দ্বারা আমাদের দেশের প্রতিনিয়ত ক্ষতি সাধন হবে, তাই সময় ক্ষেপণ না করে এখনি সবাই মিলে এইসব বেঈমানদের ষড়যন্ত্রকে রুখে দিতে হবে যাতে র কখনো কোন মানুষ নিজের দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার সাহস না পায়।

দেশের খবর

আপনার মতামত লিখুন :