logo
মঙ্গলবার , ১৮ অক্টোবর ২০২২ | ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার ভাবনা
  5. খেলা
  6. জাতীয়
  7. টেক নিউজ
  8. দেশের খবর
  9. প্রবাস
  10. ফিচার
  11. বিনোদন
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. সম্পাদকীয়
  15. সাফল্য

দেশের জনসংখ্যাকে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির নতুন যুগে আবদ্ধ করবে মেট্রোরেল

প্রতিবেদক
admin
অক্টোবর ১৮, ২০২২ ৮:২২ পূর্বাহ্ণ

সোনালি ভবিষ্যতের উন্নত মহানগর ঢাকার অপরিহার্য অনুষঙ্গ মেট্রোরেল বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে। মেট্রোরেল সেই স্বপ্নের প্রকল্প যে প্রকল্প ঢাকা শহরকে বর্তমান অবস্থা থেকে আধুনিক কসমোপলিটনে রূপান্তর করবে। বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যতে উন্নত বিশ্বে পদার্পণ সময়ের ব্যাপার মাত্র। ধারাবাহিক উন্নয়ন অব্যাহত থাকলে সে সময় বেশি দূরেও নেই। মেট্রোরেল দিয়েই ঢাকা শহর থেকে জনসংখ্যার ঘনত্ব কমানো যাবে।

অনেক কম খরচ করে শহরের বাইরে থাকতে পারবে মানুষ এবং অফিস ও অন্যান্য কাজে সহজে ঢাকায় আসতে পারবে। সমস্ত রুট সম্পূর্ণ হয়ে গেলে এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে মূল শহরে আসা সম্ভব। প্রতিটি মেট্রোরেল রুট ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। পুরো ট্রানজিট সিস্টেমটি কাছাকাছি শহরেও প্রসারিত করা যেতে পারে। তাছাড়াও অনেক বাণিজ্যিক উন্নয়ন ঘটবে এবং রুটের চারপাশের আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনগুলোর ভাড়া ও মূল্য বাড়বে।

মেট্রোরেল বিশ্বের অনেক বড় শহরে গণপরিবহনের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম।

১৮৬৩ সালে লন্ডনে প্রথম দ্রুত ট্রানজিট সিস্টেম চালু করা হয়েছিল। যা এখন ‘লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ড’-এর একটি অংশ। ১৮৬৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এনওয়াইতে প্রথম দ্রুত ট্রানজিট রেল ব্যবস্থা চালু হয়। ১৯০৪ সালে নিউইয়র্ক সিটি সাবওয়ে প্রথমবারের জন্য খোলা হয়েছিল। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জাপান হলো প্রথম দেশ যেটি ১৯২৭ সালে একটি পাতাল রেল ব্যবস্থা তৈরি করে। ভারত ১৯৭২ সালে কলকাতায় মেট্রোসিস্টেম নির্মাণ শুরু করে। এর পরে ভারত অন্যান্য শহরেও মেট্রোরেল ব্যবস্থা তৈরি করে। বর্তমানে বিশ্বের ৫৬টি দেশের ১৭৮টি শহরে ১৮০টি পাতাল রেল ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় দুধরনের পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে। একটি হলো পাবলিক বাস, লেগুনা এবং রিক্সাসহ যাতায়াতের সাশ্রয়ী মাধ্যম। তবে অত্যধিক যানজট এবং অতিরিক্ত ভিড়সহ বিভিন্ন কারণে এ ধরনের পরিবহন ব্যবহার করার জন্য রীতিমতো লড়াই করতে হয়। অন্যদিকে, সিএনজি এবং ট্যাক্সিক্যাব পরিষেবাগুলোও পাবলিক ট্রান্সপোর্ট হিসেবে চলে।

তবে সেগুলো তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল। যদিও অনেক মানুষ পরিবহনের জন্য ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার করে, তথাপি এটি সবার জন্য প্রণিধানযোগ্য বিকল্প নয়। মেট্রোরেল তাদের জন্য একটি সুবিধাজনক পরিবহন পরিষেবা প্রদান করবে যারা ব্যয়বহুল গণপরিবহন ব্যবহার করে অর্থনৈতিকভাবে কুলিয়ে উঠতে পারে না এবং সাশ্রয়ী পরিবহনের অভাবে ক্রমাগত ভোগান্তিতে পড়ে।
ঢাকার রাস্তায় চলমান সব যানবাহন জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভর করে, যা পরিবেশ দূষণে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। এছাড়া ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের উদ্যোগও চলছে। ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা ধারাবাহিকভাবে শীর্ষে রয়েছে। মেট্রোরেল রাজধানীর পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ঢাকার বায়ুদূষণ অন্যান্য মেগাসিটির তুলনায় অনেক বেশি তীব্র।

যেহেতু মেট্রোরেল ‘বিদ্যুতচালিত’ এবং প্রতি ঘণ্টায় বেশি যাত্রী বহন করতে পারে, তাই ঢাকায় বাস ও অন্যান্য পরিবহনের মাধ্যমে যাতায়াতের প্রবণতা কমে যাবে। এতে সড়কে যানবাহনের সংখ্যা কমবে, যা পরিবেশের জন্য উপকারী হবে। এছাড়াও শব্দ, শক এবং কম্পন কমাতে মেট্রোরেলে ম্যাস স্প্রিং সিস্টেম [এমএসএস] প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। শব্দদূষণ রোধে কংক্রিটের পাশের দেয়ালও করা হবে।

এ প্রযুক্তি পরিবেশের ওপর মেট্রোরেলের প্রভাব কমাবে। মেট্রোরেল আমাদের দেশের জনসংখ্যাকে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির একটি নতুন যুগে আবদ্ধ করবে। উন্নত দেশগুলোয় মেট্রোরেল এবং অন্যান্য পাবলিক ট্রান্সপোর্টেশন মাধ্যমকে একত্রিত করে একটি উন্নত রুট সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে, যাতে মানুষ শুধু একটি পেমেন্ট কার্ডের মাধ্যমে তাদের গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারে সহজে ও সুলভে।

বাংলাদেশে মেট্রোরেলে অনুরূপ ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে। সিস্টেমটি ধীরে ধীরে সব ধরনের পাবলিক ট্রান্সপোর্টেও প্রসারিত করা যেতে পারে। এটি দেশের পরিবহন ব্যবস্থায় ডিজিটালাইজেশন আনার পাশাপাশি ধীরে ধীরে নগদবিহীন অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। যানজটের কারণে বাংলাদেশে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি হয় প্রতিবছর। ২০১৮ সালে পরিচালিত বুয়েটের একটি সমীক্ষা অনুসারে ঢাকা শহরের যানজটের জন্য বার্ষিক ৪.৪ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়, যা জাতীয় বাজেটের ১০ শতাংশের বেশি।

২০১৭ সালের বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ঢাকায় যানজটের কারণে প্রতিদিন ৩.৮ মিলিয়ন কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। নষ্ট কর্মঘণ্টার মূল্য বিবেচনায় নিলে ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক আকার ধারণ করে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। ঢাকার যানজট ৬০ শতাংশ কমাতে পারলে বাংলাদেশ ২.৬ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করতে পারে। মেট্রোরেল প্রকল্পটি প্রতি বছর ২.৪ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করবে, যা জাতীয় জিডিপির ১.৫ শতাংশের সমান।

মেট্রোরেল ঢাকার ১৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের জন্য যাতায়াত সহজ করবে এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে গতিশীল করবে, যা অর্থনীতিতে একটি বড় ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করবে। ঢাকাবাসীর যাতায়াতের একটি সুবিধাজনক মাধ্যম হবে মেট্রোরেল। কারণ, এটি প্রচুর যাত্রী বহন ক্ষমতাসহ একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবহন সুবিধা প্রদান করবে। এটি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী বহন করবে। প্রতি ৪ মিনিটে প্রতিটি স্টেশনে একটি ট্রেন যাতায়াত করবে।

বিদ্যমান গণপরিবহন ব্যবহারে নারীরা প্রায়ই হয়রানির সম্মুখীন হন। এর মধ্যে রয়েছে পিক টাইমে দীর্ঘ অপেক্ষার সময়, শারীরিক বা মৌখিক হয়রানি, আসনের স্বল্পতা, নিরাপদে বাসে ওঠা বা নামা এবং উপযুক্ত পরিবহন খোঁজা। এসব কারণে নারীরা বিদ্যমান পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ব্যবহারে অনীহা প্রকাশ করে থাকে। তারা মেট্রোরেলে ভ্রমণে আরও আগ্রহী হবে। ফলে কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়বে।

মেট্রোরেল পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রচুর লোকবলের প্রয়োজন হবে, যা বাংলাদেশে অনেক কাজের সুযোগ তৈরি করবে। প্রতিটি মেট্রোরেল স্টেশনে একটি অপারেটিং রুম, টিকেট কাউন্টার, লাউঞ্জ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট, প্রার্থনার স্থান, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, এসকেলেটর, লিফটসহ অনেক কিছু থাকবে। স্টেশনগুলোর আশপাশের বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে ব্যবসা পরিচালনার জন্য একদল কর্মীর প্রয়োজন হবে। এসব কর্মসংস্থান আর্থিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি করবে এবং শেষ পর্যন্ত জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। মেট্রোরেলের কারণে ট্রানজিট ব্যবস্থা বাড়বে।

স্টেশনগুলোর আশপাশে অসংখ্য ব্যক্তিগতভাবে পরিচালিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। উন্নত পরিবহন পরিকাঠামোর কারণে নতুন সংস্থাগুলো বিকাশের সুযোগ পাবে। অন্যদিকে বর্তমান ব্যবসাগুলোও উপকৃত হবে। সামগ্রিকভাবে স্টেশন এবং রুটের কাছাকাছি স্থাপন করা ব্যবসাগুলো দেশের জিডিপিতে যথেষ্ট অবদান রাখবে। মেট্রোরেল মূলত একটি দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থা, যা বিশ্বের অনেক বড় শহরে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় গণপরিবহনের জন্য ‘ঢাকা মেট্রোরেল’ হলো ‘জাইকা’র অর্থায়নে একটি সরকারী প্রকল্প। প্রকল্পটি রাষ্ট্রায়ত্ত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) পরিচালনা করছে।

ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গবর্ন্যান্স এ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সমীক্ষা অনুসারে ২০০৪ সালে ঢাকার রাস্তায় যানবাহনের গড় গতি ছিল প্রায় ২১ কিমি (২১.২ কিমি/ঘণ্টা)। ২০১৫ সালে তা ৬ কিমিতে (৬.৮ কিমি/ঘণ্টা) নেমে আসে। ফলস্বরূপ, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বাসে যেতে সময় লাগে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার বেশি। মেট্রোরেলে উত্তরা থেকে মতিঝিল পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র ৪০ মিনিট। এটি প্রত্যাশিত যে, এ ধরনের পরিবহন মানুষের জীবনধারা পরিবর্তন করে এবং তাদের উৎপাদনশীল সময় বৃদ্ধি করে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
রাজধানী ঢাকার জন্য মেট্রোরেল প্রথম। পুরোপুরি বিদ্যুতে চলবে এই ট্রেন। স্টেশন ও ট্রেনের ভেতর পুরোটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) হবে। এতে থাকছে স্থায়ী-অস্থায়ী কার্ডভিত্তিক আধুনিক টিকেট কাটার ব্যবস্থা। এই বাহনে কারা যাতায়াত করবেন, তাদের সামর্থ্য কতটুকু, বিদ্যমান ব্যবস্থার তুলনায় এই ভাড়া যাত্রীদের জন্য বেশি হয়ে গেল কি না- এসব বিষয়েও সমাধান আসবে দ্রুত।

বর্তমানে ঢাকার বাস-মিনিবাসে সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা। যারা এখন সর্বনিম্ন এই ভাড়া দিয়ে ২ থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে নেমে যান তাদের জন্য মেট্রোরেলের ভাড়া কিছুটা বেশিই মনে হবে আপাতত। কারণ, মেট্রোরেলের স্টেশনগুলোর বেশিরভাগই এক-দেড় কিলোমিটারের মধ্যে। কেউ এক স্টেশন থেকে উঠে পরের স্টেশনে নেমে গেলে তাকে তুলনামূলক বাড়তি ভাড়া গুনতে হবে। অন্যদিকে, ঢাকায় রিক্সার ভাড়া এখন কমপক্ষে ২০ টাকা। রিক্সার যাত্রীদের অনেকেই মেট্রোরেলের যাত্রী হতে পারেন। মেট্রোরেলে এসি থাকায় তাদের জন্য যাতায়াত হবে আরামদায়ক।

আবার যারা রিক্সা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা রাইড শেয়ারিংয়ে চলেন তাদের জন্য মেট্রোরেলের ভাড়া হবে সাশ্রয়ী। কারণ, ঢাকায় এখন সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকার কমে কোন ভাড়া নেই। তাছাড়াও যাত্রীর ইচ্ছামতো গন্তব্যে অটোরিক্সাচালক যেতে রাজি হন না। তাছাড়া ঢাকায় যেখানে-সেখানে বাসে যাত্রী ওঠানো-নামানো করা হয়। ঠেলতে হয় দীর্ঘ যানজট। অনেক ক্ষেত্রে পরিবহন শ্রমিকদের আচরণ থাকে রূঢ়।

আধুনিক এই গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু করতে সরকার বিপুল বিনিয়োগ করেছে। মেট্রোরেলের পরিচালনা ব্যয়ও বেশি। সে অনুপাতে ভাড়া বেশি হয়নি। বরং ভবিষ্যতে ভাড়া আরও বাড়িয়ে এই বাহনকে লাভজনক একটা গণপরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তোলার চিন্তা-ভাবনা আছে। মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। রাষ্ট্রায়ত্ত এই কোম্পানির নিজের আয়ে চলার কথা। মেট্রোরেল নির্দিষ্ট স্টেশনে থামবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্টেশনে যাত্রী ওঠা-নামা করবে। মেট্রোরেলে যানজটের ঝক্কি নেই। স্টেশনগুলোও থাকবে ঝকঝকে, তকতকে। প্রতি স্টেশনে থাকবে সুপরিশর প্ল্যাটফর্ম। যাত্রীদের জন্য থাকবে আরমদায়ক বসার ব্যবস্থা এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। প্রত্যেকটি ট্রেন হবে অত্যাধুনিক ও যাত্রীদের চলা-ফেরায় কোন অসুবিধা হবে না। ভাড়া আদায় করা হবে ডিজিটাল কার্ড দিয়ে মেশিনের মাধ্যমে। যাত্রীদের সুবিধার্থে প্রতি সাড়ে তিন মিনিট পর পর ট্রেন এসে দাঁড়াবে যাত্রী ওঠা-নামার জন্য।

মানুষের ভোগান্তি দূর করার জন্য, ঢাকাকে যানযটমুক্ত করার জন্য বর্তমান সরকার ২০১২ সালে ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা মেট্রোরেলের পরিকল্পনা করে। ঢাকা শহরের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। যে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা যত দ্রুতগামী সেই দেশ ততটাই যানযটমুক্ত। তাই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুতগামী করার লক্ষ্যেই মেট্রোরেল প্রকল্প। মেট্রোরেল চালু হলে ঢাকা শহরের চিত্র আমূল পালটে যাবে অবশ্যই।

সর্বশেষ - দেশের খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত