logo
Wednesday , 4 October 2023
  1. সকল নিউজ

একনায়কতান্ত্রিক সিদ্ধান্তে দল পরিচালনা করছেন তারেক রহমান

প্রতিবেদক
admin
October 4, 2023 9:27 am

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একনায়কতান্ত্রিক সিদ্ধান্তে দল পরিচালনা করছেন, এ অভিযোগ বেশ পুরনো। দলের রাজনীতিকে কলুষিত করছেন খালেদার এ দণ্ডিত পুত্র, এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির অনেক সদস্য।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির দলছুট এক নেতা বলেন, তারেক রহমান যেভাবে একনায়কতান্ত্রিক রাজনীতি করছেন তাতে দলের ভেতর গণতন্ত্র বিপন্ন হয়ে পড়ছে। তারেক জিয়া পূর্বেও ক্ষমতায় থাকাকালীন চেয়েছিলেন ক্ষমতার চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করতে। আর সেজন্যই দল আজ ভুক্তভোগী। এ জন্য প্রথম তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিলেন। আজ যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আমাদের লড়তে হচ্ছে। বিচারপতি কে এম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান করতে সংবিধান সংশোধন করা হয়। যা না করতে দলীয় ফোরামে আমরাও নিষেধ করেছিলাম। এরপর নির্বাচন কমিশনকে একদল ভাঁড়ের আড্ডাখানায় পরিণত করে তারেক রহমান। হাওয়া ভবন থেকে দেড় কোটি ভুয়া ভোটারের তালিকা তৈরি করে দেয়া হয় নির্বাচন কমিশনকে। এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করা হয় যেন নির্বাচনে বিএনপি ছাড়া আর কোনো দলের বিজয় অসম্ভব হয়ে ওঠে। এসব করেও আশ্বস্ত হতে পারেনি তারেক। এ কারণেই আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার ‘মাস্টারপ্ল্যান’ গ্রহণ করা হয়।

বিএনপির এই নেতা আরও জানান, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঘটানো হয় রাজনৈতিক ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা। এ ঘটনা ঘটিয়ে শেখ হাসিনাকে চিরবিদায় করতে চেয়েছিলেন তারেক জিয়া। কিন্তু অলৌকিকভাবে বেঁচে যান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। এরপর এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে সাজানো হয় একের পর এক নাটক। এতে তো দলের লাভ হয়নি উল্টো পুরো দেশের মানুষের সামনে দল হিসেবে বিএনপি তার গ্রহণযোগ্যতা হারায়।

ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা ও বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার গণমাধ্যমকে বলেন, ক্ষমতায় চিরকাল থাকতে মরিয়া তারেক জিয়া ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেন। সর্বোচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ দেন দলীয় ক্যাডার। পুলিশ বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন সর্বত্র চলে তারেকের নিজস্ব বাহিনী গঠনের উৎসব। এ কারণেই সিনিয়র সাতজনকে ডিঙিয়ে জেনারেল মইন উ আহমেদকে করা হয় সেনাপ্রধান। ড. ইয়াজউদ্দিনের মতো একান্ত অনুগত, আজ্ঞাবহ, মেরুদন্ডহীনকে করা হয় রাষ্ট্রপতি। বিএনপির অধিকাংশ নেতা বিশ্বাস করেন, তারেক জিয়ার সীমাহীন দুর্নীতি, অপরিণামদর্শী ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণেই এক-এগারো আসে। আর তাই প্রয়াত সাইফুর রহমান, মান্নান ভূঁইয়া, সাদেক হোসেন খোকা, তরিকুল ইসলামের মতো পোড় খাওয়া নেতারা তারেকের ব্যাপারে এতটুকু সহানুভূতি দেখাননি। এখনো বিএনপির অধিকাংশ তৃণমূলের ত্যাগী নেতা-কর্মী মনে করেন বেগম জিয়া ও বিএনপির আজকের পরিণতির জন্য তারেক জিয়াই একমাত্র দায়ী।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া পরোয়ানাভুক্ত দণ্ডিত আসামি। মোস্ট ওয়ান্টেড। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও তারেক পরিচিত একজন মাফিয়া ডন বা গডফাদার হিসেবে। কূটনীতিকরাও তারেক রহমানকে রাজনীতিবিদ মনে করেন না। কিন্তু প্রায়ই দেখা যায়, বিএনপির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তারেক জিয়া অনলাইনে যুক্ত হন। ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন। এটি আদালত অবমাননার শামিল বলেই মনে করেন দেশের আইনজ্ঞরা।

সর্বশেষ - সকল নিউজ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ধর্মের নামে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী আজ হাফেজ তাকরীমকে সংবর্ধনা দেবে ধর্ম মন্ত্রণালয়

জনসমর্থনের অভাবে বিএনপির আন্দোলনে মরিচা ধরে গেছে : সেতুমন্ত্রী

বাম ডান মিলেমিশে একাকার, ফলাফল শূন্য : কাদের

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পাবে আড়াই কোটিরও বেশি শিশু

ঈদের ছুটি নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো থাকছে রাজধানী

সরকারের সময়সীমা নির্ধারণের এখতিয়ার বিএনপির নেই : সেতুমন্ত্রী

দুটি নাটকীয় ধসের পর আয়ারল্যান্ডের হৃদয় ভেঙে সিরিজ বাংলাদেশের

শেখ হাসিনাকে এরদোয়ানের ফোন, ধন্যবাদ জানালেন বাংলাদেশিদের

ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আভাস, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত