বিএনপির আন্দোলনের হাঁকডাক আষাঢ়ের আকাশের মতো

adminadmin
  প্রকাশিত হয়েছেঃ   07 January 2021

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির আন্দোলনের হাঁকডাক আষাঢ়ের আকাশের মতো. তারা ফেসবুক, সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে যতটা গর্জে, বাস্তবে রাজপথে ততটা বর্ষে না।

তারা বলছেন, বিএনপির অপরাজনীতিই এদেশে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাওয়ার পথে বড় বাধা। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে। অথচ এ সময়ে কোনো ইস্যু খুঁজে না পেয়ে তারা নন-ইস্যুকে ইস্যু বানানোর অপচেষ্টা করছে। তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে রক্তের দাগ আর ষড়যন্ত্রের নকশা। তারা এদেশে গণতন্ত্রের মুখোশ পরা ফেরিওয়ালা। তবে গণতন্ত্র কখনোই এক চাকার বাইসাইকেল নয়। এটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে তারা বলছেন, সরকারের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে রাজপথে সহিংসতা তৈরি করার কোনো প্রয়োজন নেই। সময় এলেই সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। বিএনপি নেতাদের রাজনৈতিক আন্দোলনের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে জনগণের মন জয় করতে হবে।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জনস্রোতের উত্তাল ঢেউ রাজপথে উঠবে। বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেব যা বলেন, তা নিজে বিশ্বাস করতে পারেন কি? ঢেউ তারা টেমস নদীর পাড় থেকে গুলশান অফিসে তুলতে পারেন। কিন্তু পদ্মা-মেঘনা-যমুনার পলিবিধৌত মুজিবের বাংলায় নয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই বলে বারবার মিথ্যা ও পুরনো অভিযোগ করে চলছে। বলছে সরকার নাকি ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। এদেশে আওয়ামী লীগের মাঝেই পরমতসহিষ্ণুতা আছে। আর আছে বলেই বিএনপি অনবরত মিথ্যাচার করেও পার পেয়ে যাচ্ছে। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম তিন মাসে ৫০ জন সাংবাদিক আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন। তখন খোদ গণমাধ্যম রিলেটেড সংগঠন ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স’-এর এক রিপোর্টে তা প্রকাশ হয়েছিল। আসলে বিএনপি নেতারা এখন গণমাধ্যমের প্রতি লোক দেখানো লিপসার্ভিস দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :