প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের হদিসহীন সেই ৩৩৯ যান কর্মকর্তাদের দখলে ১৮২ গাড়ি


  প্রকাশিত হয়েছেঃ   15 November 2020

সমাপ্ত প্রকল্পের হদিসহীন সেই ৩৩৯টি গাড়ির সন্ধান মিলেছে। এর মধ্যে ১৮২টি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তার হাতে আছে। পরিবহন পুলে জমা না দিয়ে অবৈধভাবে তারা গাড়িগুলো ব্যবহার করছেন। ব্যবহারের তালিকায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-সচিবের দফতর ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কার্যালয়ও আছে। এছাড়া ৬১টি আছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে, ৯০টি অচল, একটি পুড়ে গেছে এবং পাঁচটি কেন্দ্রীয় পরিবহন পুলে জমা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ৪১টি প্রকল্পের গাড়ি ঘিরে এমন নজিরবিহীন নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রমাণ না রাখার জন্য অফিসের নথিতে এসব গাড়ির তথ্য সংরক্ষণ করা হয়নি। কোনো রেকর্ড রাখা হয়নি ব্যবহারকারীদের।

এ নিয়ে ১৭ অক্টোবর যুগান্তরে ‘মেয়াদ শেষ হয়েছে ৫ বছর আগে : হাদিস নেই প্রকল্পের ৩৩৯ গাড়ির’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২২ অক্টোবর প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ডিজি গাড়িগুলোর তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দফতরে। প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, পরিচালক (উৎপাদন), উপপরিচালক, বিভাগীয় দফতর, ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (সাভার), ঔষধাগারের উপপরিচালক, জাতীয় চিড়িয়াখানা, কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল, রংপুর বিনোদন উদ্যান ও চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষ এবং প্রকল্প পরিচালককে এ চিঠি দেয়া হয়। এতে হদিসবিহীন গাড়িগুলোর ব্যবহারকারীর নাম, দফতর, ব্র্যান্ড, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বর্তমান সচল-অচল ও মেরামতযোগ্য তথ্য দিতে বলা হয়। তবে গাড়িগুলো ব্যবহারকারীদের তালিকা অনুসন্ধানকালে যুগান্তরের হাতে আগেই এসে পৌঁছেছে।

জানতে চাইলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ. ম. রেজাউল কমির যুগান্তরকে বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার আগে এ ঘটনা ঘটেছে। যে কারণে বিষয়টি জানা নেই। এ ঘটনায় অডিট রিপোর্ট হলেও এখন পর্যন্ত গাড়ি সংক্রান্ত কোনো রিপোর্ট নিয়ে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা হয়নি। তবে এ ঘটনা আমি খতিয়ে দেখব।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, এটি বড় ধরনের দুর্নীতি। রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাতের শামিল। এর মধ্যে জড়িত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায় এড়াতে পারেন না। এর জবাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে চাইতে হবে। বিষয়টি সংসদেও আলোচনা হতে পারে। কেউ যদি এসব গাড়ি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করে, তাহলে তার বৈধ আয়ের সঙ্গে এটি অবৈধভাবে যুক্ত হবে। এ ব্যাপারেও খতিয়ে দেখা দরকার।

প্রসঙ্গত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশ নং সম(পরি)-স্থায়ী কমিটি/৪৪/২০০৫(অংশ-১)-৭২১ তারিখ ০৮/০১/২০০৬ অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ শেষে ৬০ দিনের মধ্যে সচল গাড়ি সরকারি যানবাহন অধিদফতরের কেন্দ্রীয় পরিবহন পুলে জমা করার নির্দেশনা আছে। কিন্তু প্রাণিসম্পদ অধিদফতরে প্রকল্পের ৩৩৯টি গাড়ির মধ্যে পরিবহন পুলে জমা পড়েছে মাত্র ৫টি।

এ প্রসঙ্গে সরকারি পরিবহন পুল অধিদফতরের পরিবহন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের প্রকল্প সমাপ্ত হওয়ার পর গাড়ি অন্য অফিস বা ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারে না। গাড়ি কোথায় ব্যবহার হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে পরিবহন কমিশন। গাড়ি জমা না দিয়ে ব্যবহারকারীরা এর দায় এড়াতে পারে না। আইনের ব্যত্যয় ঘটলে কমিশন কী ব্যবস্থা নেবে, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে। আর প্রথমে এটি দেখার দায়িত্ব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি)। ওই সংস্থাটি অবগত থাকে কোন প্রকল্পের কাজ কবে নাগাদ শেষ হচ্ছে।

গাড়ি নিয়মবহির্ভূত ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেয়ার কথা আইএমইডি’র। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পরিকল্পনা কমিশনের বন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উইংয়ের বিভাগী প্রধান নিজেই সেই ৩৩৯টির মধ্যে ‘ঢাকা মেট্রো-ঠ-১৩-৩৩৫৭’ নম্বরের গাড়ি ব্যবহার করছেন।

দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্যায়ে ব্যবস্থা নিতে পারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। কিন্তু হদিসহীন গাড়িগুলোর মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ‘ঢাকা মেট্রো-ঠ-১৩-২১৮৮’, যুগ্ম সচিব প্রাণিসম্পদ-১ ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৩-৮০০৪’, যুগ্ম সচিব (জরুরি সাইক্লোন রিকভারি প্রকল্পের পরিচালক) ‘ঢাকা মেট্রো-খ-১৫-১৫৭৮’, মন্ত্রীর দফতরে ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৩-৮৮৩৫’ ও ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৮-৩৬৫১’ এবং সচিবের দফতরে ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৭৪৩৮’ নম্বরের গাড়ি ব্যবহার হচ্ছে।

সূত্রমতে, বাংলাদেশ কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) ৪১টি প্রকল্পের গাড়ির হদিস নেই বলে ইতোমধ্যে একটি রিপোর্ট করেছে। রিপোর্টে বলা হয়, গাড়িগুলোর প্রাপ্তিস্বীকার সংক্রান্ত কোনো পত্র পাওয়া যায়নি। গাড়িগুলোর তালিকার নিচে অধিদফতরের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তার স্বাক্ষর নেই। বাস্তবে কতগুলো গাড়ি আছে, কোনো রেকর্ড নেই। যথাযথ নিয়মে ব্যবহার হচ্ছে, সে ধরনের কোনো তথ্য বা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা গেছে, সিএজি’র রিপোর্ট নিয়ে বিধি অনুযায়ী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা হবে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, হদিসহীন গাড়িগুলোর মধ্যে ‘ঝিনাইদহ-ঠ-১১-০০১৩’ নম্বরের গাড়ি ব্যবহার হচ্ছে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দফতরেও।

সমাপ্ত প্রকল্পের গাড়ির নিয়মবহির্ভূত ব্যবহার প্রতিরোধ করবেন অধিদফতরের ডিজি। কিন্তু তিনি নিজেও হদিসহীন গাড়ির মধ্যে ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৫-১৫৭৯’ নম্বরের গাড়ি দখল করে আছেন। পাশাপাশি অধিদফতরের প্রশাসনের পরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমান ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৫-১৫৭৯’, উপপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৩৫৫৭’, পরিচালক সম্প্রসারণ একেএম আরিফুল ইসলাম ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৫-৬৬৪৮’, প্রকল্প পরিচালক টিকা উৎপাদন ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-২৪৫৪’ নম্বরের গাড়ি ব্যবহার করছেন। এছাড়া চিফ পিইসি ‘ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-৭৬৮৮’, প্রাণিসম্পদ অর্থনীতিবিদ ‘ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-১৩২০’, উপপরিচালক প্রাণী ক্রয় ও উন্নয়ন শিরিন আক্তার ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-২৪৫৩’ ও আইনি কর্মকর্তা ‘ঢাকা মেট্রো-ঠ-১৩-২১৮৭’ নম্বরের গাড়িগুলো নিজেদের দখলে রেখেছেন।

জানতে চাইলে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার যুগান্তরকে জানান, সমাপ্ত হওয়ার পর প্রকল্পের কিছু গাড়ি বিভিন্ন জেলা অফিসে ব্যবহার হচ্ছে। গাড়ি কোথায় আছে, এর হিসাব নেয়া হচ্ছে। গাড়িগুলো পরিবহন পুলে জমা দেয়া হয়নি মর্মে অডিট রিপোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, অনেকে দূর থেকে অনেক কিছু বলতে পারে। এ নিয়ে অধিদফতরের বাজেট শাখায় কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।

যোগাযোগ করা হলে বাজেট শাখার উপপরিচালক ডা. মো. হাসান ইমাম যুগান্তরকে বলেন, গাড়িগুলো কোথায় আছে, কোন কোন অফিস ব্যবহার করছে, বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট অফিসের কাছে। তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, হদিসহীন গাড়িগুলোর মধ্যে তিনি ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-১১৭৯ ও ৬৪৮৭’ দুটি গাড়ি নিজের দখলে রেখেছেন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতালের চিফ ভেটেরিনারি অফিসার ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-০৯৫৮’, গবেষণা ইন্সটিটিউটের পরিচালক ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৩৫৫৮’ গবেষণা পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের পরিচালক ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৩২৮২’, ওটিআই সাভারের অধ্যক্ষ ‘ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-৩০৩৪’ খাদ্য মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার প্রকল্প পরিচালক ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৩-৭৬০৮’ নম্বরের গাড়ি ব্যবহার করছেন।

এছাড়া সিলেটের দুগ্ধ খামারের সহকারী পরিচালক ‘সিলেট-ট-৫৯২৫’, উপপরিচালক ‘মৌলভীবাজার-ক-১৯’, জয়পুরহাট, মানিকগঞ্জ ও বরিশালের পশুরোগ অনুসন্ধান গবেষণা অফিসের পিএসও ‘বগুড়া-ক-৫২০৩’, ‘ঢাকা মেট্রো-ভ-৩০৯৬’ ও ‘বাকেরগঞ্জ-ভ-২৫’, চুয়াডাঙ্গা ও গাইবান্ধার ভেটেরিনারি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ ‘ঢাকা মেট্রো-ভ-২১৬’ ও ‘রংপুর-ক-২৭৮৭’, ভিটিআই অধ্যক্ষ আলমডাঙ্গা ‘চুয়াডাঙ্গা-ম-০২-০০০৩’, সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি কলেজের অধ্যক্ষ ‘ঢাকা মেট্রো-ঠ-১৩-৩৩৬১’, গাইবান্ধার এফডিআইএল-এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ‘গাইবান্ধা-ক-০৮’ নম্বরের গাড়ি দখলে রেখেছেন।

এছাড়া বিভাগীয় উপপরিচালক, পরিচালক ও কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালকরা (ঢাকা মেট্রো-ঠ-১৩-৩৩৫৫ ও ৩৩৭০, ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৩৫৫৮ ও ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৫৮৮২-৮৩, ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-৫৮৪১-৪৫ ও ৫৮৪১ এবং ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-১৮২৩-২৪, ১৮৭৪-৭৫, ২১৫৩-৫৭, ২৫১৬-১৭) গাড়িগুলো দখলে রেখেছেন।

মাঠপর্যায়ে অবৈধভাবে গাড়ি দখলে : হদিসহীন গাড়ির মধ্যে ৬৩ জেলার পশু হাসপাতালের ভেটেরিনারি অফিসার গাড়ি ব্যবহার করছেন। এছাড়া ১৩ জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও ১২ জেলার কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালকের হাতে রয়েছে (ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-৫৮৪১-৪৫ ও ৫৮৪৭) এবং (ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১/১৮২৩-২৪, ১৮৭৪-৭৫, ২১৫৩-৫৭, ২৫১৬-১৭, ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-২০২৯, ১৩১৮, ঢাকা মেট্রো-খ-১১-০৭২৫, নীলফামারী-ঠ-০০০৪, নওগাঁ ম-১১-০০১১, জামালপুর-খগ-০৫-০০১০, বগুড়া ঠ-১১-০০০২, ময়মনসিংহ ম-১১-০০২৬, ঠাকুরগাঁও ম-১১-০০১০, জয়পুরহাট-ম-১১-০০০৬, রংপুর-ঠ-১১-০০০৭-৮, বগুড়া-ম-১১-০০৫১, রাজ-খ-১১-০০০২, ঢাকা মেট্রো-ঠ-১৩-৩৩৫৩) নম্বরের গাড়িগুলো।

এছাড়া নওগাঁ ও ফেনীর হাঁস প্রজনন খামারের ব্যবস্থাপক ‘ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-২১৭৮-৭৯’, সিলেটের দুগ্ধ খামারের সহকারী পরিচালক ‘সিলেট-ম-১১-০১৩৫’, রাজশাহী, ফরিদপুরের গবাদি উন্নয়ন খামারের ব্যবস্থাপক ‘ঢাকা মেট্রো-উ-১১-০০০১’, ‘ফরিদপুর-উ-১১-০০০১’ ও ‘রাজশাহী-ম-১১-০০১’ নম্বরের গাড়ি নিয়েছেন। পাশাপাশি শেরপুর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সাভারের দুগ্ধ ও গবাদি পশু উন্নয়ন খামারের সহকারী পরিচালক ‘ঢাকা-মেট্রো-ম-০২-০৪৭৯’ ও ‘০২-২৪০৯’, ‘ঢাকা মেট্রো-উ-১১-০০৭২’ ও ‘১১-০৩৫৮’, ‘ঢাকা মেট্রো-অ-১১-০১৫৫’, ‘বরিশাল-অ-১১-০০০৬’, রাজশাহী ও রংপুরের উপপরিচালক (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৩-৫৮৮৩ ও ৫৮৮২) নম্বরের গাড়ি ব্যবহার করছেন।

এদিকে ‘ঢাকা মেট্রো-ভ-৭৬২৮, ৭৬৯১, ১৫৬৮’, ঢাকা মেট্রো-ঘ-৮৩৭০, ফরিদপুর-ক-১৫০, কুমিল্লা-ক-৬০১৬, কিশোরগঞ্জ-ক-২১, জামালপুর-ক-৬০, সাতক্ষীরা-ক-১৪, খুলনা-ক-৯০৮, খুলনা মেট্রো-ক-২৭, যশোর-ক-৪৬২, ৪২৫, নওগা-ক-২৪, রংপুর-গ-১৩ ও ১৮, রাজশাহী-ক-৫৮০৪, চট্ট মেট্রো-গ-৪৪৬, রাঙ্গামাটি-গ-১৯৭৪, পটুয়াখালী-ঘ-০৫-০০০৫, ঢাকা মেট্রো-ম-০২-১৮৭৩, ঢাকা মেট্রো-ঠ-১৩-২১১৬’ নম্বরের গাড়ি ব্যবহার করছেন সংশ্লিষ্ট জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা।

পাশাপাশি মহাখালী প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ‘ঢাকা মেট্রো-ম-০২-১৪৬৯’, প্রাণিসম্পদ ঔষধাগার ঢাকার উপপরিচালক (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-০০৬৭-৬৮’, সাভারের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের উপপরিচালক ‘ঢাকা মেট্রো ন-১১-৪৯৭৫’, ‘ঢাকা মেট্রো-স-১১০৩৫১’ ও ‘ঢাকা মেট্রো-অ-১৪-০৭৭৮’ এবং ‘ঢাকা মেট্রো-ন-৭০৫২’ ও অফিসার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ ‘ঢাকা-ভ-১৫৩৬’ নম্বর গাড়ি ব্যবহার করছেন।

কৃত্রিম প্রজনন ও ঘাস উৎপাদনের উপপরিচালক ‘রংপুর-ক-০৪’ এবং নোয়াখালী ও ফরিদপুরের সহকারী পরিচালক ‘ঢাকা-ভ-২৪৪৯’ ও ‘নোয়াখালী-ক-৩৩১৬’, খুলনা ও বরিশালের প্রাণিসম্পদ দফতরের উপ-পরিচালক ‘যশোর-ক-৪৬১’ ও ‘পিরোজপুর-ঘ-০৫-০০০১’ গাড়ি ব্যবহার করছেন।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পরিচালক সম্প্রসারণ একেএম আরিফুল ইসলাম ‘ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৫-৬৬৪৮’ গাড়িটি ব্যবহার করছেন। তিনি বলেন, প্রকল্প শেষে গাড়ি অন্য প্রকল্পে স্থানান্তরের শর্ত থাকে। সে অনুযায়ী গাড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রায় একই ধরনের কথা বলেন আরও একাধিক কর্মকর্তা।

অর্থনীতি

আপনার মতামত লিখুন :