logo
মঙ্গলবার , ২২ নভেম্বর ২০২২ | ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার ভাবনা
  5. খেলা
  6. জাতীয়
  7. টেক নিউজ
  8. দেশের খবর
  9. প্রবাস
  10. ফিচার
  11. বিনোদন
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. সম্পাদকীয়
  15. সাফল্য

পরবর্তী জি-২০ বৈঠকে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ চায় ভারত

প্রতিবেদক
admin
নভেম্বর ২২, ২০২২ ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ

শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-২০-এর আগামী বৈঠকে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ আশা করে ভারত।

সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কে. ভার্মা।

ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনার বলেছেন, আগামী জি-২০ সম্মেলনের সভাপতি হিসেবে ভারত বিশ্বব্যাপী আলোচনায় পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে চায়। এজন্য এই বৈঠকে ঢাকার সক্রিয় অংশগ্রহণ আশা করে নয়াদিল্লি।

এ সময় সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় আনতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ এবং বিদ্রোহের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থা রয়েছে তার সরকারের। আরএসসের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করেছে। 

সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশে তার দায়িত্ব পালনের সময় সফল মেয়াদ কামনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়া ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়েছে, কিন্তু এখন এটি দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ এবং বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

তিনি রোহিঙ্গাদের তাদের আদি দেশ মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনে ভারতের সমর্থন চেয়েছেন। উত্তরে হাইকমিশনার জানান, ভারতও এ সমস্যার একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান পেতে আগ্রহী। মিযানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, টেকসই এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে কাজ চালিয়ে যাবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিভিন্নভাবে ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিপূরক। বাংলাদেশ একটি আঞ্চলিক সংযোগ কেন্দ্র হিসেবে অবস্থান করছে এবং ভারতের নিকটতম প্রতিবেশী হওয়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা অনুসারে সংযোগের দৃষ্টিভঙ্গির সুবিধা পেতে পারে। 

ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিষয়ে ড. মোমেন বলেন, এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অবাধ ও ন্যায্য সংযোগের ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক নিয়ম ও নিয়মের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

সর্বশেষ - দেশের খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

বন্যা দুর্গতদের ৫০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে জাতিসংঘ

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে বিশ্বনেতাদের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় পার্টিতে যোগ দিলেন বিএনপির ৫ শতাধিক নেতাকর্মী

ঝুঁকিপূর্ণ ২৫ দেশের তালিকা, নাম নেই বাংলাদেশের

শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের দরিদ্রতার হার যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও কম হবে

সরকার বাংলাদেশের মাটিতে কোনো সন্ত্রাস প্রশ্রয় দেবে না: প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে আবারও তলব করবে বাংলাদেশ

অর্থ আত্মসাৎ: নর্থ সাউথের চার ট্রাস্টির জামিন শুনানি আজ

বিশ্বসেরা ধনীদেশ : ১ নাম্বারে কাতার, ভারত ১২৪ পাকিস্তান-১৩৮ এবং বাংলাদেশ ১৪৩

রোহিঙ্গাদের অবশ্যই মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী