জিয়াউর রহমানই বাংলাদেশে প্রহসনের নির্বাচনের উদ্যোক্তা”-১৯৭৭ সনের গনভোট।

adminadmin
  প্রকাশিত হয়েছেঃ   01 June 2021

জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ সালের ৩০ মে ভোটারবিহীন হ্যাঁ-না ভোটের মাধ্যমে দেশে প্রহসনমূলক নির্বাচনের শুরু এবং পেশীশক্তির বদৌলতে ক্ষমতায় আসীন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান সেনা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে। হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা গ্রহণ শুরু হয়। সে নিজেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা দেয়। সংবিধান ও আর্মি অ্যাক্টের বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে একাধারে সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে। এই অবৈধ ক্ষমতা বৈধকরণের প্রাথমিক চেষ্টা হিসেবে প্রথমে হ্যা, না ভোটের আয়োজন করে। ১৯৭৭ সালের ৩০ মে দেশব্যাপী গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটে প্রদত্ত আস্থা জ্ঞাপন ভোটের সংখ্যা ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৮৭০ এবং অনাস্থা জ্ঞাপক ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮৯৮। ভোটারবিহীন এ নির্বাচনকে দেশের প্রহসনমূলক নির্বাচনের শুরু হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর হত্যাকারী জেনারেল জিয়া নিজ ক্ষমতাকে বৈধ করার অপপ্রয়াস হিসেবে এ ভোটের আয়োজন করে। দেশ গণতান্ত্রিক ধারা থেকে বিচ্যুত হয়। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে আবারও দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

জিয়াউর রহমাদের এই সেই ভোটবিহীন প্রহসনের ব্যালট পেপার।ইতিহাস পাল্টানো যায়না কালের স্বাক্ষী হয়েই সেই দলিল থেকে যায়।

ব্যালট পেপার
গণভোট, ১৯৭৭/৩০.৫.৭৭

রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল
জিয়াউর রহমান, বি, ইউ এবং
তাহার অনুসৃত নীতি ও
কর্মপন্থার প্রতি আপনার আস্থা আছে কী?

জাতীয়

আপনার মতামত লিখুন :