বিএনপি সরকারের ব্যাংক লুট ঋণ জালিয়াতি দেশকে পথে বসিয়ে দিয়েছিল

adminadmin
  প্রকাশিত হয়েছেঃ   06 January 2021

নিউজ ডেস্ক: বিএনপি সরকারের ব্যাংক লুট ঋণ জালিয়াতি দেশকে পথে বসিয়ে দিয়ে যায়। সেসব কুকর্ম এখনও দেশের ভয়াল সেই দিনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

সোনালী ব্যাংক থেকে ১৬ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা জালিয়াতি:

সোনালী ব্যাংকের রমনা কর্পোরেট শাখায় প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির খোঁজ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ব্যাংকটির রমনা কর্পোরেট শাখায় মেসার্স ফেয়ার উইভিং মিলসের প্রায় দেড়াশ’ কোটি টাকা আত্মসাত মামলার তদন্ত করে ১৩৪টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১৬ হাজার ৭৭০ কোটি টাকার দুর্নীতির খোঁজ পায় দুদক। দুদকের একটি সূত্র শীর্ষ নিউজকে জানান, হলমার্ক কেলেঙ্কারির পূর্বেই এই ঋণ কেলেঙ্কারি সংগঠিত হয়েছে। বিএনপি জোট সরকারের তিন বছর সময়ের (২০০৩ সাল থেকে ২০০৬ সাল) মধ্যে ভুয়া রেকর্ডপত্রের ভিত্তিতে সোনালী ব্যাংকের রমনা কর্পোরেট বৈদেশিক বাণিজ্য বিনিময় শাখা থেকে এলসি খুলে এই অর্থ লোপাট করা হয়েছে। ফান্ডেড এবং নন-ফান্ডেড হিসাবের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকাই লুটপাট করা হয়েছে। এই জালিয়াতিতে বিগত জোট সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

হলমার্ক কেলেঙ্কারি: হলমার্কের তানভীর হাওয়া ভবনের লোক:

এই রহস্যের মহানায়ক তানভীর আহমদ। কেমন করে তিনি সামান্য মুদি দোকানদার থেকে মাত্র আট বছরে এত কোটি টাকা দুর্নীতি করতে পারলেন।

হল-মার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ জালিয়াতি করে সোনালী ব্যাংক থেকে তুলে নিয়েছেন প্রায় দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এ কাজে আরও ২৯টি ব্যাংককে ব্যবহার করেছেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম জনতা ব্যাংক। সোনালী ব্যাংকের শেরাটন শাখায় খোলা ভুয়া ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র বা এলসির মাধ্যমে জনতা ব্যাংক থেকেই ওই অর্থ তুলে নেন তানভীর। তানভীর মাহমুদ জনতা ব্যাংকের খেলাপি প্রতিষ্ঠানকে কিনেছেন জনতা ব্যাংকের টাকা দিয়েই। এর সবই ঘটেছে বিএনপির শাসনামলে।

শেখ হাসিনা সরকারের সময় ব্যাংক জালিয়াতির সাথে জড়িত থাকা বাবুল চিশতী ও আব্দুল হাই বাচ্চুর মত সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :