ঢাকা, আজ সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০

সান্ধ্যকোর্স: নীতিমালা তৈরিতে পাঁচ সপ্তাহ ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত

প্রকাশ: ২০২০-০২-২৫ ০৯:৩৭:৪৯ || আপডেট: ২০২০-০২-২৫ ০৯:৩৭:৪৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাণিজ্যিক সান্ধ্যকোর্স নিয়ে এখনো কোনো সমাধান দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তবে সান্ধ্যকোর্সের জন্য নীতিমালা তৈরি করতে আগামী পাঁচ সপ্তাহ স্থগিত থাকবে ভর্তি কার্যক্রম।

সান্ধ্যকোর্স ও সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা ছিল। একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ের ১ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু সান্ধ্যকোর্স নিয়ে একক কোনো সিদ্ধান্ত আসতে পারেনি কাউন্সিল।

সোমবার বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং শুরু হয়। কাউন্সিলের প্রথমে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় ঢাবির অংশ না নেয়ার বিষয়ে কোনো প্রকার বাধা ছাড়ায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রায় ছয় ঘণ্টা নানা তর্ক-বিতর্ক, উত্তেজনা ও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় চলতে থাকে। পরবর্তীতে পাঁচ সপ্তাহ সান্ধ্যকোর্সের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভা শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, সান্ধ্যকোর্স পরিচালনার সময়োপযোগী নীতিমালা করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়েছে।

কমিটিতে আরও রয়েছেন প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দীন, ১৩টি অনুষদের ডিন ও দুটি ইনস্টিটিউটের (আইবিএ এবং শিক্ষা ও গবেষণা) পরিচালক। কমিটিকে ৫ সপ্তাহের মধ্যে একটি নীতিমালা তৈরি করার জন্য বলা হয়েছে।

নীতিমালা তৈরি করার পর কোন কোর্স থাকবে আর কোন কোর্স থাকবে না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই ৫ সপ্তাহের মধ্যে কোনো পত্রিকার বিজ্ঞাপন, ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। তবে কোর্সগুলো চলমান রয়েছে তা চলবে।

তবে সভায় অংশ নেয়া কয়েকজন শিক্ষক বলেন, সান্ধ্যকোর্সের পক্ষে অবস্থান নেয়া শিক্ষকরা এখানে বেশি এসেছেন। বিরোধীদের একদম কমসংখ্যক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। যার জন্য সান্ধ্যকোর্সের পক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে উপাচার্যকে চাপ দেয়া হয়েছে।

একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬০ জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।