logo
Friday , 20 January 2023 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার ভাবনা
  5. খেলা
  6. জাতীয়
  7. টেক নিউজ
  8. দেশের খবর
  9. প্রবাস
  10. ফিচার
  11. বিনোদন
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. সম্পাদকীয়
  15. সাফল্য

দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রমাণ জরুরি

প্রতিবেদক
admin
January 20, 2023 12:24 pm

দুর্নীতি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্যটি প্রণিধানযোগ্য। গত ১৪ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভার সূচনা বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘দেশের কোথায় কী দুর্নীতি হয়েছে, সে তথ্য দিতে জাতীয় সংসদে আহ্বান জানানো হয়েছে।

কাজেই শুধু মুখে দুর্নীতির কথা বললে হবে না, সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ দিলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘এখন এমন লোকদের কাছে দুর্নীতির কথা শুনতে হয়, যারা নিজেরাই দুর্নীতিগ্রস্ত। যাদের আমলে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।’

আমাদের সবার জানা, ২০১৮ সালে সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা’ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভা গঠনের পর দেশরত্ন শেখ হাসিনা মন্ত্রীদের দুর্নীতি সম্পর্কে সাবধান করেছিলেন। পরবর্তী পর্যায়ে জাতির উদ্দেশে প্রদত্ত এক ভাষণে দুর্নীতিবিরোধী সুনির্দিষ্ট চারটি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেছিলেন, ‘যারা দুর্নীতিতে জড়িত, তাদের আত্মশুদ্ধি চর্চা, আইনের কঠোর প্রয়োগ, তথ্যপ্রযুক্তি সম্প্রসারণ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে জনগণের অংশগ্রহণ ও গণমাধ্যমের সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।’

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে শুদ্ধি অভিযানের প্রাক্কালে নিজের দলের নেতাকর্মীসহ কাউকে ছাড় না দেওয়া এবং পরবর্তী সময়ে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় কোনো ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না মর্মে ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে একই ধরনের কঠোর উচ্চারণে পুরো জাতিকে উজ্জীবিত করেছিলেন মুক্তির মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

দেশে দীর্ঘ সময়ব্যাপী স্বাস্থ্য-শিক্ষা খাতসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঘুস লেনদেন, টেন্ডার-নিয়োগ-গবেষণা-জরিপ বাণিজ্য এবং বিপজ্জনক অর্থ পাচারের ঘৃণ্যচিত্র মোটেও সুখকর নয়। এসব অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ড প্রায় সর্বক্ষেত্রে অব্যাহত রয়েছে।

সমসাময়িক সমাজব্যবস্থায় দানবরূপী হিংস্র পশুতুল্য মানুষের অর্থ-ক্ষমতা-আধিপত্য বিস্তারে দুর্নীতির হীন অপকৌশল অবলম্বন বিপুলভাবে পরিলক্ষিত হয়। অবৈধ-অনৈতিক প্রক্রিয়ায় পদ-পদবি-পদক আয়ত্তে নিতে এবং সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধাপ্রাপ্তিতে পারদর্শী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রতিনিয়ত সক্রিয় রয়েছে। কিন্তু যথার্থ প্রমাণাদির অভাবে তাদের বিরুদ্ধে তেমন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে দৃশ্যমান নয়।

দুঃখজনক হলেও সত্য, শুধু বাংলাদেশ নয়; পুরো বিশ্ব আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। উন্নত বা উন্নয়নশীল, প্রাচ্য বা পাশ্চাত্যের সব দেশেই কম-বেশি দুর্নীতির প্রকট প্রভাব রয়েছে। গত বছরের ২৫ জানুয়ারি প্রকাশিত বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) বার্ষিক দুর্নীতির ধারণাসূচক (সিপিআই)-২০২১ অনুসারে বাংলাদেশ ১০০ স্কোরের মধ্যে পেয়েছে ২৬, যা ২০২০-এর সমান। ২০১৮ ও ২০১৯ সালেও বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২৬।

তবে র‌্যাংকিং বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান ২০২০-এর তুলনায় একধাপ নিচে, ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৪৭তম। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় সর্বনিু বা কেবল আফগানিস্তানের ওপর এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ৩১টি দেশের মধ্যে তৃতীয় সর্বনিু। ওই প্রতিবেদন অনুসারে কোনো দেশের শতভাগ স্কোর না পাওয়ার অর্থ হচ্ছে, বিশ্বের কোনো দেশই দুর্নীতিমুক্ত নয়। ৭২ শতাংশ দেশ ৫০-এর কম স্কোর পেয়েছে। ২০২০ সালে এ হার ছিল ৬৭, অর্থাৎ সার্বিক বিবেচনায় বৈশ্বিক দুর্নীতি পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ৫৫ শতাংশ দেশের স্কোর বৈশ্বিক গড় ৪৩-এর নিচে, যা গতবারও একই পর্যায়ে ছিল।

১০ বছরের স্কোরের গতির বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮৪টি দেশের স্কোর বেড়েছে, ৮৩টি দেশের কমেছে এবং বাংলাদেশের মতো সাতটি দেশ একই পর্যায়ে রয়েছে। ৮৮ স্কোর পেয়ে তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে আছে যৌথভাবে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। ৭৫-এর বেশি পাওয়া দেশগুলো হচ্ছে নরওয়ে, সিঙ্গাপুর ও সুইডেন (৮৫), সুইজারল্যান্ড (৮৪), নেদারল্যান্ডস (৮২), লুক্সেমবার্গ (৮১), জার্মানি (৮০), যুক্তরাজ্য (৭৮) এবং হংকং (৭৬)। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে দুর্বল স্কোর পাওয়া দেশের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র (৬৭), স্পেন (৬১), ইতালি (৫৬), চীন (৪৫), তুরস্ক (৩৮) ও রাশিয়া (২৯)। মাত্র ১১ স্কোর নিয়ে সর্বনিু অবস্থানে দক্ষিণ সুদান।

যেসব কারণে মানুষ দুর্নীতি করে থাকে, তার মূলে আছে প্রধানত অর্থ, সম্পদ, ক্ষমতা, আধিপত্য, ভোগ-বিলাস ইত্যাদির লোভ। অর্থনৈতিক বৈষম্য বা ধনী-দরিদ্রের মধ্যে অর্থ ও সম্পদের উপার্জন, বিতরণ, ভোগ ইত্যাদি দুর্নীতির মাত্রা ও প্রকৃতিকে নানাভাবেই উপস্থাপন করে।

বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত দুর্নীতিবিষয়ক গবেষণা সংস্থাসমূহের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, সরকারি যেসব প্রতিষ্ঠানে সরাসরি জনসাধারণের যাতায়াত রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির পরিমাণ বেশি। দৃষ্টান্তস্বরূপ ভূমি রেজিস্ট্রেশন অফিস, পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল পরিশোধের অফিস, হিসাবরক্ষণ অফিস, আয়কর-ভ্যাট-কাস্টম-শুল্ক পরিশোধের অফিস, থানা পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, রাজউক, মিউনিসিপ্যাল ট্যাক্স অফিস ইত্যাদি।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পল্লী উন্নয়ন, পিডব্লিউডি, হিসাব ও নিরীক্ষা ইত্যাদি অফিসের প্রকল্পের কাজসহ নানা বিল পরিশোধেও বড় রকমের ঘুস-দুর্নীতির গুঞ্জন অত্যধিক। এটি অনিস্বীকার্য, যেখানে আর্থিক লেনদেন কিংবা অনুমোদন প্রক্রিয়া রয়েছে, সেখানে কম-বেশি ঘুস-দুর্নীতির সম্ভাবনা থাকে।

এছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যে ওজনে কম দেওয়া, অতিমুনাফাখোরি, খাদ্য ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদিতে ভেজাল দেওয়া, কর ও ভ্যাট ফাঁকি, হাসপাতালে অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় ফি আদায় ও ভুল চিকিৎসা, ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ, মিথ্যা তথ্য দিয়ে ব্যাংকঋণ গ্রহণ, মানিলন্ডারিং করে বিদেশে অর্থ পাচার, ক্ষমতার অপব্যবহারে কাউকে লাভবান বা ক্ষতি করা, কোর্ট বা যে কোনো তদন্তে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ইত্যাদি আরও উচ্চমানের দুর্নীতি। তবে এটিও সত্য, যেখানে দুর্নীতি হয়, সেখানে সেবাদাতা ও গ্রহীতা উভয়েই দুর্নীতির দোষে দুষ্ট।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের মতে, দেশের দুর্নীতির সম্ভাব্য কারণগুলো হলো-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অঙ্গীকার ও বাস্তবায়নে মিল না থাকা; উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও আমলাদের দুর্নীতি চিহ্নিত না করা; সরকার ও রাজনৈতিক দলসহ উচ্চপর্যায়ের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে না পারা; আর্থিক ও ব্যাংক খাতে ঋণখেলাপি-জালিয়াতি বৃদ্ধি পাওয়া; ভূমি-নদী-খাল-বিল দখল, টেন্ডার ও নিয়োগে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ না কমা; অবৈধ অর্থের লেনদেন বন্ধ না হওয়া; দুর্বল জবাবদিহিতা; দুদকের কার্যকারিতা ও স্বাধীনতার অভাব; দায়মুক্তি ও দুর্বল আইনের শাসন অর্থাৎ দুর্নীতিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং এ অপরাধে সবার জন্য আইন সমান, সেই ধারণা প্রতিষ্ঠিত না হওয়া।

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের চারটি শর্ত রয়েছে। এসব শর্ত আমাদের দেশে পালন করা হয় না। ফলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আসে না। চার শর্তের প্রথমটি হচ্ছে রাজনৈতিক সদিচ্ছা। রাজনৈতিক সদিচ্ছা শুধু ঘোষণায় থাকলে হবে না, বাস্তবায়ন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, যারা দুর্নীতি করে, যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তাদের আইনগত জবাবদিহির আওতায় আনা। বাংলাদেশে এর নজির খুবই কম। তৃতীয়ত, দুর্নীতি দমন বা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর করা এবং চতুর্থ শর্ত হচ্ছে, দুর্নীতি মেনে না নেওয়া এবং দুর্নীতিতে জড়িয়ে না পড়ার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করে তোলা।

ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির মতে, শুধু ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। ২০১৯ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে আসবাবপত্র কেনার ক্ষেত্রে ১৬৯ কোটি টাকার দুর্নীতির খবর গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তোলে, যেখানে প্রতিটি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা, প্রতিটি বালিশ আবাসিক ভবনের খাটে তোলার মজুরি ৭৬০ টাকা, কভারসহ কমফোর্টারের দাম ১৬ হাজার ৮০০ টাকা এবং বিদেশি বিছানার চাদর কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৩৬ টাকায়।

বালিশকাণ্ডের পর দুর্নীতির মাধ্যমে একটি হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে একটি পর্দা ৩৭ লাখ টাকায় কেনা নিয়ে পুনরায় গণমাধ্যম সরব হয়ে ওঠে। ২০২২ সালের মার্চের শুরুর দিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সয়াবিন তেলের বাড়তি দাম নিয়ে ১৫ দিনে এক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিলেটের শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডে লোহার এক কেজি নাট কোটি টাকা ও বোল্ট অর্ধকোটি টাকা দিয়ে কেনার বিষয়টিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন তোলে।

শুধু অর্থ পাচার নয়; যুক্তরাজ্য, কানাডা, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশের আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগ, সম্পদ ক্রয়, সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা সম্পর্কিত বিভিন্ন খবরেও দেশবাসী উদ্বিগ্ন। প্রধানমন্ত্রী যথার্থই উপলব্ধি করতে পেরেছেন যে, অর্থলোভী-ক্ষমতালিপ্সু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দুর্নীতির মাধ্যমে ইতোমধ্যেই যেভাবে দেশের অর্থনীতি ও সামগ্রিক উন্নয়নকে চ্যালেঞ্জ করছে, তাতে তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর হস্তে দমন করা না গেলে এ অবস্থা আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত সময়োপযোগী বক্তব্যকে আমলে নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগের পর্যাপ্ত সঠিক তথ্য-প্রমাণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে উপস্থাপন করা অপরিহার্য।

উত্থাপিত অভিযোগগুলো সত্য-বস্তুনিষ্ঠ-ন্যায়পরায়ণতায় উচ্চমার্গের ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত বিচার বিভাগীয় নিবিড় তদন্তের ভিত্তিতে প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। বেনামে বা ছদ্মনামে কথিত অভিযোগকারীদের অভিযোগ আমলে নিয়ে নিরীহ ও সৎ ব্যক্তিদের হয়রানি করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই কাম্য নয়

। অভিযোগকারীর যথার্থ নাম, ঠিকানা, পরিচয় ইত্যাদি নিশ্চিত হয়ে যে কোনো তদন্ত কার্যক্রম অবশ্যই সমর্থনযোগ্য। মিথ্যা অভিযোগ তুলে কোনো দেশবিরোধী অশুভ শক্তি যাতে তৎপরতা চালাতে না পারে, সেদিকে অবশ্যই মনোযোগ নিবিষ্ট করা সময়ের দাবি।

ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী : শিক্ষাবিদ; সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

সর্বশেষ - রাজনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত