logo
বৃহস্পতিবার , ১০ নভেম্বর ২০২২ | ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার ভাবনা
  5. খেলা
  6. জাতীয়
  7. টেক নিউজ
  8. দেশের খবর
  9. প্রবাস
  10. ফিচার
  11. বিনোদন
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. সম্পাদকীয়
  15. সাফল্য

যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মহাসমাবেশ পরিণত হবে জনসমুদ্রে: পরশ

প্রতিবেদক
admin
নভেম্বর ১০, ২০২২ ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ

আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, ১১ নভেম্বর থেকে যুবলীগের দখলে থাকবে রাজপথ। আমরা ধারণা করছি, যুবলীগের প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরে মহাসমাবেশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জনসমুদ্রে পরিণত হবে। তিনি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের নামে বিএনপি-জামায়াত যদি এদেশের সাধারণ জনগণের জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করে তাহলে রাজপথেই তাদের সমুচিত জবাব দিবে যুবলীগ।

বুধবার (৯ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধুর এভিনিউয়ে আওয়ামী যুবলীগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

পরশ বলেন, আওয়ামী যুবলীগের দীর্ঘ ৫০ বছরের পথ-পরিক্রমায় সকল সংকট-সংগ্রামে যুবলীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। যে মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আমরা যুবলীগের নেতা-কর্মীরা আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা নিয়ে সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছি; সেই মুহূর্তে বাংলাদেশ বিরোধী বিএনপি-জামাত স্থিতিশীল বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করছে। ‘চারিদিকে নাগিনীরা ফেলিতেছে বিষাক্ত নিঃশ্বাস। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আমাদের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন এবং ১১ নভেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য যুব মহাসমাবেশ। এই মহা সমাবেশের মধ্য দিয়ে রচিত হবে স্বাধীনতাবিরোধীদের জন্য ইস্পাত-কঠিন ভিত্তি; যা বিএনপি-জামাতের কাছে অজেয়, দুর্লঙ্ঘনীয়।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়নের ধারা, গণতন্ত্রের ধারা এবং এদেশের মানুষের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার জন্য তথা বাংলাদেশের অদম্য অগ্রগতির ধারা রক্ষায় সর্বশক্তি দিয়ে অতন্দ্র প্রহরীর মত রাজপথে অবস্থান করবে যুবলীগ। কেননা, যুবলীগ বিশ্বাস করে-মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হেরে গেলে, হেরে যাবে বাংলাদেশ। এজন্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুবলীগ ভ্যানগার্ডের দায়িত্ব পালন করতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, রাজনীতিতে পরাভূত হয়ে ওরা এখন সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের পদলেহন করছে। দেশকে বিকিয়ে দেবার ষড়যন্ত্রে ওরা ব্যস্ত। সমাবেশের নামে ওরা আবারও জনগণের জানমালের ওপর আঘাত হানছে, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে। সাংবাদিক বন্ধুরাও তাদের রোষানল থেকে রেহায় পাচ্ছে না। ওদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করা এখন সময়ের দাবি। এতিমের টাকা আত্মসাৎ করা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী, রক্তাক্ত গ্রেনেড হামলার আসামী যাদের নেতা; তারা আরও দেশধ্বংসের কাজে লিপ্ত হবে এটিই স্বাভাবিক। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের সকল শক্তি যখনই ঐক্যবদ্ধ হয়েছে; তখনই পরাজিত হয়েছে দেশবিরোধীরা। আমাদের ১১ নভেম্বরের যুব মহাসমাবেশ-সেই ঐক্যবদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ বলে আমরা বিশ্বাস করি। ‘১১ নভেম্বরের যুব মহাসমাবেশের পর থেকে স্বাধীনতাবিরোধী ঐ শক্তি আর মাথাচাড়া দিতে সক্ষম হবে না’- যুবলীগের এমন বার্তায় উজ্জীবিত গোটা বাংলাদেশের যুব তারুণ্য, ঐক্যবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকল শক্তি।

সর্বশেষ - দেশের খবর