logo
বুধবার , ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার ভাবনা
  5. খেলা
  6. জাতীয়
  7. টেক নিউজ
  8. দেশের খবর
  9. প্রবাস
  10. ফিচার
  11. বিনোদন
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. সম্পাদকীয়
  15. সাফল্য

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: দুই বছর সময় ও ৩২ ভাগ ব্যয় বৃদ্ধির আবেদন

প্রতিবেদক
admin
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২ ৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ করতে আরও দুই বছর সময় এবং ৩১ থেকে ৩২ শতাংশ ব্যয়বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে সরকারের কাছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নিয়োজিত রয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক)। নির্মাণকাজ সম্পাদন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স গ্রুপ। তবে প্রকল্পটি শুরু থেকেই স্থাপনা উচ্ছেদ, ভূমি অধিগ্রহণ, সহযোগী সড়ক প্রকল্পের সঙ্গে সংযুক্তিসহ নানা বিষয়ে জটিলতার মুখোমুখি হলে বিস্তর সময়ক্ষেপণ হয়। সেই সঙ্গে টানা দুই বছর মহামারি করোনার কারণেও প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে চলে।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে মহানগরীর লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪ লেনবিশিষ্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয় ২০১৭ সালের জুন মাসে। সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি-প্রকল্প হিসাবে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। কাজটি সমাপ্ত করার টার্গেট সময় ধরা হয়েছিল চলতি বছরের জুন মাস। প্রকল্পের সময়ক্ষেপণের জন্য রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ভূমি অধিগ্রহণ, সড়ক জুড়ে পিডিবির পোল সরানো এবং টানেলের মুখে রিং রোডের কাজ আগে সম্পাদনের জন্য এক্সপ্রেসওয়ের কাজ বন্ধ রাখাকে অন্যতম কারণ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন কর্মকর্তারা।

চউক প্রকৌশলী এবং চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মাহফুজুর রহমান ইত্তেফাককে বলেন, আগের প্রক্কলিত ব্যয়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না। তাই আমরা প্রকল্পের খরচ আরও ৩১ থেকে ৩২ শতাংশ বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব দিয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছি। সেই সঙ্গে নির্মাণ সম্পাদনের জন্য আমরা আরও ২ বছর সময় চেয়েছি। প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমান আরও বলেন, প্রকল্পের জন্য দেওয়ানহাট রেললাইন থেকে টাইগারপাস পর্যন্ত ভূমি চেয়ে আমরা ২০১৯ সালে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু প্রায় তিন বছর গড়িয়ে গেলেও এখনো রেলের ভূমি পাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি। টানা দুই বছর সময় নষ্ট হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ভূমি পাওয়ার সমস্যার সমাধানে। সেই সঙ্গে এক্সপ্রেসওয়ের গতিপথ থেকে পিডিবির পোল বা খুঁটি সরাতে লেগেছে ২ বছর। পিডিবির আরও পোল সরানোর কাজ চলছে। অন্যদিকে পতেঙ্গা রিং রোড প্রকল্পের জন্যও দীর্ঘ সময় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ থামিয়ে রাখা হয়।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের জন্য রেলওয়ের ভূমি প্রদানের জটিলতা প্রসঙ্গে প্রধান ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল সুজন বড়ুয়া ইত্তেফাককে বলেন, জটিলতার নিরসন হয়েছে। চউককে ৭০ শতক ভূমি প্রদানের সুপারিশ বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের দপ্তরে সম্প্রতি পাঠানো হয়েছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে এখন মন্ত্রণালয়ে গিয়ে ভূমি লাভের অনুমোদন নিয়ে আসতে হবে।

উল্লেখ্য, নগরীর লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা বিমানবন্দর পর্যন্ত ৪ লেনের চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ১৬ কিলোমিটার হলেও বিভিন্ন স্থানে র‍্যাম্প, লুপ ইত্যাদি নির্মাণসহ সর্বমোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াচ্ছে ২০ কিলোমিটার। এক্সপ্রেসওয়েটি প্রশস্ত থাকছে ৫৪ ফুট। এটি নির্মিত হলে নগরীর লালখান পয়েন্ট থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যেতে লাগবে মাত্র ২০ থেকে ২৫ মিনিট সময়। বর্তমানে নিচের সড়কপথে টাইগারপাস, আগ্রাবাদ, বারিকবিল্ডিং মোড়, বন্দর-কাস্টমস, ইপিজেড, কাটগড়, ইত্যাদি সড়ক হয়ে যেতে প্রায় দেড় দুই ঘণ্টা লাগে।

সর্বশেষ - দেশের খবর